দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার...See more
খুব তাড়াতাড়ি বাংলাদেশে ফিরবেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেছেন স্বয়ং হাসিনা। ২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন আওয়ামী লীগ নেত্রী। তারপর থেকে ভারতেই নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন মুজিব-কন্যা।
ফের বাংলাদেশ ফিরছেন শেখ হাসিনাসাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “দেশে ফিরে আসার বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভর করে না। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এটা কেবল আমার ফিরে আসার জন্যই জরুরি নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও অপরিহার্য।”তিনি আরও বলেন, “তবে আমি একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলতে চাই। আমার অনুপস্থিতির অর্থ আমার নীরবতা নয়। আমি প্রতিটি মুহূর্তে দেশের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছি। আমরা- কূটনৈতিক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর আওতায় এবং বিশ্বব্যাপী সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছি।”
ভারত-বিরোধী সুর বৃদ্ধি প্রসঙ্গে:
চলতি বছর বাংলাদেশে নির্বাচনের পর সরকারি দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি-এর শাসনকালে প্রতিবেশী দেশে ভারত-বিরোধী সুর বা বিদ্বেষমূলক প্রচার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা জানান, ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু ও প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতের দেওয়া সহায়তা বা সমর্থন ছিল প্রশ্নাতীত। তিনি বলেন, “তবে আমাদের দেশে, মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী এবং আদর্শিগতভাবে দেউলিয়া গোষ্ঠীগুলোর কাছে ভারত-বিরোধী সুর দীর্ঘকাল ধরেই একটি প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও এই অপচর্চায় শামিল হয়েতিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগের বিরোধীরা প্রায়শই দলটির বিরুদ্ধে ভারতের কাছে নতি স্বীকার করা এবং জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বিভিন্ন চুক্তি স্বাক্ষর করার অভিযোগ উত্থাপন করে থাকে। অথচ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের ১৮ মাসের শাসনকালে কিংবা বিএনপি- উভয় পক্ষের কেউই আজ পর্যন্ত এমন কোনও ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ চুক্তির একটিও প্রমাণ করতে পারেনি।
বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কেমন?
দেড় বছরের অস্থিরতা শেষে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে, ভারত ও বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ পরিসরে ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করার পথে এগোচ্ছে। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ক্যাটাগরির ভিসা প্রদান পুনরায় শুরু করলেও, ভারত ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম ফের চালু করার পরিকল্পনা কবাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফর করার এক মাস পর এই প্রক্রিয়াটি শুরু হয়। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর এই সফরের সময় ঢাকা যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেছিল, তার মধ্যে ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিককরণ অন্যতম ছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের সমস্ত ভিসা কেন্দ্র (যার মধ্যে নয়াদিল্লির হাইকমিশন এবং কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই ও চেন্নাইয়ের কনস্যুলার বিভাগগুলো অন্তর্ভুক্ত) বর্তমানে পুরোদমে সচল রয়েছে।রছে।ছিল।”?
Secure Link Activation
Verifying your session for
safe access to the content.
Verification is automatic.

Comments
Post a Comment