স্ত্রীর দু'ধ পান করলে কি...see more

 


দাম্পত্য জীবনে অজান্তে বা ভুলবশত এমন কিছু ঘটে গেলে অনেকে সংশয়ে পড়ে যান এবং না বুঝে বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ হয়ে গেল কি না—তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। তবে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট।


শরিয়তের স্পষ্ট বিধান


ইসলামি ফেকাহবিদ ও নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় স্বামী যদি ভুলবশত, অজ্ঞতাবশত বা কৌতূহলবশত স্ত্রীর বুকের দুধ পান করে ফেলে, তবে তাদের বিবাহ বন্ধন নষ্ট হয় না এবং তালাকও হয় না। তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক পুরোপুরি বৈধ হিসেবেই বহাল থাকবে।


দুধ-সম্পর্ক (রেজাআত) সৃষ্টির শর্ত


ইসলামে দুধ-সম্পর্ক বা ‘রেজাআত’ (যার মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম হয়) কায়েম হওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তবয়সসীমা: দুধ-সম্পর্ক কেবল শিশুর দুই বা আড়াই বছর বয়সের মধ্যে দুগ্ধপানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে: পূর্ণ বয়সে কেউ দুধ পান করলে তা কখনোই 'রেজাআত' বা দুধ-সম্পর্কের অন্তর্ভুক্ত হয় না। ফলে এর মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়ে না।


করণীয় ও সতর্কযদিও স্ত্রীর দুধ পান করলে বিয়ে ভেঙে যায় না বা তালাক হয় না, তবুও স্বাভাবিক অবস্থায় স্ত্রীর দুধ পান করাকে ইসলামি ফকিহগণ অনুচিত ও অপছন্দনীয় (মাকরূহ) বলেছেন। কারণ, স্ত্রীর দুধ মূলত সন্তানের খাদ্যের জন্য নির্ধারিত।


অতএব, ভুলবশত এমনটি ঘটে গেলে আকদ (বিয়ে) ভাঙার কোনো ভয় নেই। তবে বিষয়টি ইচ্ছাকৃত না করাই উত্তম এবং সচেতন থাকা উচিত।


(অনলাইনে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে যেকোনো মনগড়া ক্লিকবেইট বা ভুয়া সংবাদের ফাঁদে না পড়ে নির্ভরযোগ্য ইসলামি বই বা অভিজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।)তা রয়েছে:


🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

15s

⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments

Popular posts from this blog

কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন...more

লবঙ্গ খাওয়ার আগে থামুন! লবঙ্গ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়েটিক...See more

গাজীপুরে ফাইভ মা*র্ডার: মরদেহের ওপর পাওয়া অভিযোগপত্রে যা লেখা ছিল; জনলে অবাক হবেন...... See more