কুপ্র/স্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে গাছে বেঁধে মা/র/ধর করতে পারে..See more
মানুষ কতটা নি/র্ম/ম হলে কুপ্র/স্তাবে রাজি না হওয়ায়
তরুণীকে গাছে বেঁধে মা/র/ধর করতে পারে? আর কতটা নি/ষ্ঠুর হলে তাঁর সঙ্গে থাকা ছোট ভাই-বোনকেও আটকে রেখে নি/র্যা/তন করা হয়?😥
নি//র্যা/তনের সময় ওই তরুণীকে “ও মা, মাগো” বলে চিৎকার করতে থাকে এবং “আল্লাহ, আল্লাহ” বলে কাঁদতে দেখা যায়। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, আশপাশের অনেক মানুষ ঘটনাটি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, সখিপুরের ছৈয়ালকান্দি এলাকার মুদি দোকানদার আবুল মোল্লার ছেলে মনির মোল্যা (২৫) দীর্ঘদিন ধরে ফারিয়া আক্তার (১৮)-কে উ//ত্ত্যক্ত করে আসছিলেন এবং মাঝেমধ্যেই তাঁকে বিভিন্ন ধরনের
কু/প্রস্তাব দিতেন।
ফারিয়া এসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাঁকে বিভিন্নভাবে হ/য়রানি ও নি/র্যা/তন করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা মনির মোল্লাকে একাধিকবার সতর্কও করেছিলেন।
ঘটনার দিন ৪ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণী তাঁর বোন মারিয়া আক্তার (১৩) ও ভাই ফাহিম (৭)-কে নিয়ে মনির মোল্লার মুদি দোকানে কেনাকাটা করতে যাচ্ছিলেন।
এ সময় দোকানের সামনে মনির ওই তরুণীকে নানাভাবে অ/শালীন কথাবার্তা বলতে থাকেন বলে অভিযোগ।
তরুণী প্রতিবাদ করলে মনির ওই তরুণীসহ তাঁর ভাই-বোনকে দোকানের পাশে ফৌজিয়া সরদারের বাড়িতে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখেন এবং হাত-পা বেঁধে
শা/রীরিক নি/র্যাতন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
একপর্যায়ে তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে
চু/রির অপবাদ দিয়ে মনির, আফসানা, ফৌজিয়া সরদার ও নিশি সরদারসহ কয়েকজন তাঁদের গাছের সঙ্গে বেঁ/ধে প্রথমে মা/রধর করেন বলে অভিযোগ। পরে তাঁদের মাথার চু/ল কেটে দেওয়া এবং জুতার মালা পরিয়ে ম/ধ্যযুগীয় কায়দায় নি/র্যা/তন করার অভিযোগও উঠেছে।
বিষয়টি জানাজানি হলে দুপুর ১২টার দিকে সখিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভু/ক্তভোগী তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই ভুক্তভোগীদের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছিল—নি/র্যা/ত/নকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারীও ছিলেন। একজন নারী হয়ে আরেকজন নারীর ওপর এমন নি/র্ম/ম আচরণ কীভাবে করতে পারলেন?
একজন নারীই তো সবচেয়ে ভালোভাবে বোঝার কথা, একজন মেয়ের কান্না, ভয় আর অ/সহায়ত্ব কতটা কষ্টের। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে একজন নি/র্যা/তিত মেয়েকে রক্ষা করার পরিবর্তে যদি কেউ নিজেই নি/র্যা/তনে অংশ নেন, তাহলে বিষয়টি সত্যিই হৃদয়বিদারক।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগ করার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছে। এমনকি ভয়ে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার কথাও জানিয়েছে পরিবারটি। মামলা তুলে নিতে তাঁদের হুম/কি-ধ/মকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মামলা তুলে না নিলে তাঁদের হ/ত্যা/র হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তবে অভিযুক্ত মনির মোল্লা চুরির অভিযোগের কথা বললেও নি//র্যা/ত/নের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
কোনো নারীকে অ/পমান, মা/রধর কিংবা গাছে বেঁ/ধে নি/র্যাতন করার অধিকার কারও নেই। অভিযোগ সত্য হলে এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু
তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ ধরনের ঘটনা যেন ভবিষ্যতে আর কেউ ঘটানোর সাহস না পায়, সেজন্য দোষীদের দৃ/ষ্টা/ন্ত/মূলক শা/স্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নি/র্যা/ত/নের শিকার পরিবারটির নি*রাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment