মাদ্রাসার শিক্ষক হয়ে ১২ বছরের একটা ছাত্রীকে...See More
১২ বছরের এক এ’তি’’ম মাদরাসাছাত্রীকে অ’ন্তঃ’স’’’ত্ত্বা অবস্থায় দেখে সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সায়মা। তখনই শুরু হয়েছিল তীব্র সমালোচনা।**
শিশুটির সঙ্গে কথা বলে ডা. সায়মা জানতে পারেন, মাদরাসার শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর তার সঙ্গে খা’রা’’প কাজ করেছেন । বিষয়টি সামনে আনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই চিকিৎসককে নানা ধরনের গা’লা’গা’’ল ও স’মা’লো’চ’’না’’র মুখে পড়তে হয়।
অনেকেই তখন প্রশ্ন তুলেছিলেন—একজন মাদরাসাশিক্ষক এমন কাজ করতে পারেন না ? কেউ কেউ আবার চিকিৎসককেই দো’ষা’রো’’প করেছিলেন।
কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সামনে এসেছে আসল সত্য, সেই ডাক্তারের কথায় সঠিক।
**পুলিশের হাতে এসেছে মা’ম’লা’’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ—ডিএনএ প্রতিবেদন।**
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী শি’শু’টি’’র জন্ম দেওয়া নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএর **৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল** পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ, এতদিন যে অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক চলছিল, ডিএনএ পরীক্ষার ফলে শি’শু’টি’’র নবজাতকের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে নেত্রকোনার মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই শি’শু’টি’’র সঙ্গে ধ’র’*’ষ’ণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
শি’শু’টি এ’তি’ম। অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাণনাশের হু’ম’কি দেওয়ায় সে প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেনি।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে তার শরীরে পরিবর্তন দেখা দিতে শুরু করে। পরে বিষয়টি পরিবারের লোকজন ও সংশ্লিষ্টদের নজরে আসে। তাকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে পরীক্ষা করানো হলে অ’ন্তঃ’স’’ত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment